ট্রাম্পের হারের ৫ কারণ: কেন মুখ ফিরিয়ে নিলেন মার্কিন ভোটাররা?

US Midterm Elections: আমেরিকার মিডটার্ম নির্বাচনে বড় ধাক্কা খেল ডোনাল্ড ট্রাম্পের রিপাবলিকান পার্টি।জীবনযাত্রার খরচ বৃদ্ধি থেকে শুরু করে ট্রাম্পের নীতি—রিপাবলিকানদের ভরাডুবির পাঁচটি মূল কারণ কী কী?

inscript
৩ মিনিট
ট্রাম্পের হারের ৫ কারণ: কেন মুখ ফিরিয়ে নিলেন মার্কিন ভোটাররা?

আমেরিকার মিডটার্ম নির্বাচনে বড়সড় ধাক্কা খেলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। কংগ্রেসের দুই কক্ষেই নিয়ন্ত্রণ হারিয়েছে তাঁর দল রিপাবলিকান পার্টি। ট্রাম্পের দ্বিতীয় দফার শাসন, তাঁর অর্থনৈতিক নীতি, ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ এবং অভিবাসন নীতির বিরুদ্ধে মার্কিন ভোটারদের ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ হিসেবেই এই ফলাফলকে দেখা হচ্ছে। সাধারণত ক্ষমতাসীন প্রেসিডেন্টের দল মধ্যবর্তী নির্বাচনে কিছুটা আসন হারায়। কিন্তু এবারের নির্বাচনে রিপাবলিকানদের বিপর্যয়ের মাত্রা প্রত্যাশার চেয়েও বেশি। কেন এমন ফলাফল? বিশ্লেষণে উঠে এসেছে পাঁচটি কারণ।

জীবনযাত্রার ক্রমবর্ধমান খরচ

নির্বাচনে রিপাবলিকানদের সবচেয়ে বড় ধাক্কা দিয়েছে মূল্যবৃদ্ধি। আমেরিকার সাধারণ মানুষ গত কয়েক মাস ধরে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্র, খাবার, জ্বালানি এবং বিদ্যুতের ক্রমবর্ধমান দামের চাপে রয়েছেন। মূল্যবৃদ্ধির এই পরিস্থিতির জন্য অনেকেই সরাসরি ট্রাম্প প্রশাসনের নীতিকে দায়ী করেছেন।

সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এক বছরে আমেরিকায় মূল্যবৃদ্ধির হার পৌঁছেছে ৩.৭ শতাংশে। অক্টোবরের শুরুতে ডিজেলের দামও রেকর্ড দামের কাছাকাছি পৌঁছে যায়। একটি ভোটার সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে, প্রায় ৭৯ শতাংশ মানুষ গত এক বছরে মূল্যবৃদ্ধির কারণে কমবেশি আর্থিক সমস্যার মুখে পড়েছেন। তাঁদের মধ্যে ৬০ শতাংশেরও বেশি এই পরিস্থিতির জন্য ট্রাম্পের নীতিকে দায়ী করেছেন।

উত্তর ক্যারোলিনার এক ভোটার বিবিসিকে জানিয়েছেন, জ্বালানি থেকে খাবার, সবকিছুর দামই বাড়ছে। এই কারণে তিনি এবার রিপাবলিকানদের বদলে ডেমোক্র্যাটদের ভোট দিয়েছেন। অর্থাৎ, রাজনৈতিক স্লোগানের চেয়ে মানুষের দৈনন্দিন জীবনের খরচ এবারের নির্বাচনে বেশি গুরুত্ব পেয়েছে।

ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ এবং তার অর্থনৈতিক প্রভাব

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
আমেরিকার প্রথম মুসলিম সেনেটর, ট্রাম্পের ইসলামবিদ্বেষী প্রচারকে হারিয়ে ইতিহাস গড়লেন আবদুল এল-সায়েদ

Abdul El-Sayed: নির্বাচনের আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং তাঁর দলের একাধিক নেতা এল-সায়েদের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে ইসলামবিদ্বেষী প্রচার চালিয়েছিলেন। তাঁর ধর্মীয় পরিচয়কে সামনে এনে তাঁকে আমেরিকার নিরাপত্তার পক্ষে বিপজ্জনক হিসেবে তুলে ধরার চেষ্টা হয়েছিল।

ট্রাম্পের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয় ছিল আমেরিকাকে নতুন কোনো যুদ্ধে জড়াতে না দেওয়া। কিন্তু ইরানের সঙ্গে সংঘাত সেই প্রতিশ্রুতিকেই প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছে। ফেব্রুয়ারি মাসে আমেরিকা ও ইজরায়েলের সামরিক অভিযান শুরু হওয়ার পর পরিস্থিতি ক্রমশ জটিল হয়েছে। হরমুজ প্রণালী দিয়ে জ্বালানি পরিবহণ ব্যাহত হওয়ায় আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম বেড়েছে। তার প্রভাব পড়েছে আমেরিকার সাধারণ মানুষের পকেটে।

এখানেই শেষ নয়। ট্রাম্পের 'আমেরিকা ফার্স্ট' নীতিতে বিশ্বাসী তাঁর নিজের সমর্থকদের একাংশও এই যুদ্ধ নিয়ে অসন্তুষ্ট। একটি সমীক্ষায় ৬৩ শতাংশ মানুষ জানিয়েছেন, ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপ নেওয়া আমেরিকার ভুল সিদ্ধান্ত। প্রায় ৭৪ শতাংশ ভোটার বলেছেন, এই যুদ্ধ তাঁদের ভোট দেওয়ার সিদ্ধান্তে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলেছে। ফলে যুদ্ধের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক মূল্য দিতে হয়েছে রিপাবলিকানদের।

ডেমোক্র্যাটদের প্রচারে সাধারণ মানুষের সমস্যার গুরুত্ব

এবারের নির্বাচনে ডেমোক্র্যাটরা প্রচারের ক্ষেত্রে সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন সমস্যাকে গুরুত্ব দিয়েছেন। জীবনযাত্রার খরচ, স্বাস্থ্য পরিষেবার ব্যয় এবং দুর্নীতির মতো বিষয়কে সামনে রেখেছেন তাঁরা। টেক্সাসে জেমস তালারিকো, কানসাসে অ্যাডাম হ্যামিলটন এবং সাউথ ক্যারোলিনায় অ্যানি অ্যান্ড্রুজের মতো প্রার্থীরা স্থানীয় মানুষের সমস্যার সঙ্গে নিজেদের প্রচারকে যুক্ত করতে পেরেছেন।

মিশিগানে আবদুল এল-সায়েদ রাজনীতিতে অর্থের প্রভাব কমানো এবং সাধারণ মানুষের পকেটে অর্থ ফেরানোর কথা বলেছেন। জর্জিয়ায় জন অসফের প্রচারের অন্যতম বিষয় ছিল মূল্যবৃদ্ধি ও দুর্নীতি। অন্যদিকে, রিপাবলিকান প্রার্থীদের একাংশ ট্রাম্পকেন্দ্রিক প্রচারেই বেশি জোর দিয়েছেন। ফলে ভোটারদের প্রকৃত সমস্যাগুলি অনেক ক্ষেত্রেই আড়ালে চলে গিয়েছে।

ট্রাম্পের জনপ্রিয়তায় ভাটা

এবারের নির্বাচনে ট্রাম্পের ব্যক্তিগত জনপ্রিয়তাও রিপাবলিকানদের বিপর্যয়ের অন্যতম কারণ। মূল্যবৃদ্ধি এবং ইরানের সঙ্গে যুদ্ধের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলি সরাসরি তাঁর প্রশাসনের সিদ্ধান্তের সঙ্গে যুক্ত। ফলে ভোটারদের ক্ষোভের কেন্দ্রে চলে এসেছেন প্রেসিডেন্ট নিজেই।

নির্বাচনী প্রচারে ট্রাম্প বারবার সমর্থকদের বলেছেন, তাঁকে যেন ব্যালটে থাকা প্রার্থী হিসেবে কল্পনা করে ভোট দেওয়া হয়। কিন্তু এই কৌশল কার্যকর হয়নি। বরং নির্বাচনটি অনেকাংশে তাঁর শাসনের উপর গণভোটে পরিণত হয়েছে। শেষ নির্বাচনী প্রচারেও সাধারণ মানুষের অর্থনৈতিক সমস্যার পরিবর্তে ওয়াশিংটনের লিঙ্কন মেমোরিয়ালের রিফ্লেক্টিং পুল সংস্কারের প্রসঙ্গ নিয়ে দীর্ঘ সময় কথা বলেছেন তিনি। এতে ভোটারদের অগ্রাধিকারের সঙ্গে তাঁর বক্তব্যের দূরত্ব আরও স্পষ্ট হয়েছে।

হিস্পানিক ও কৃষ্ণাঙ্গ ভোটারদের সমর্থন হারানো

২০২৪ সালের নির্বাচনে হিস্পানিক ও কৃষ্ণাঙ্গ ভোটারদের একাংশের সমর্থন পেয়েছিলেন ট্রাম্প। সেই সমর্থনই তাঁর জয়ের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছিল। কিন্তু এবারের নির্বাচনে সেই প্রবণতা অনেকটাই বদলে গিয়েছে। টেক্সাস-মেক্সিকো সীমান্তের হিস্পানিক সংখ্যাগরিষ্ঠ তিনটি আসনেই জয় পেয়েছেন ডেমোক্র্যাটরা।

নিউ ইয়র্ক টাইমসের বিশ্লেষণ অনুযায়ী, হিস্পানিক সংখ্যাগরিষ্ঠ এলাকাগুলিতে ২০২৪ সালের তুলনায় রিপাবলিকান সেনেট প্রার্থীদের সমর্থন ২২ শতাংশেরও বেশি কমেছে। অভিবাসন দফতর আইসিই-র কঠোর অভিযান নিয়ে ক্ষোভও এর অন্যতম কারণ। পিউ রিসার্চ সেন্টারের সমীক্ষায় ৫৬ শতাংশ আমেরিকান আইসিই সম্পর্কে নেতিবাচক মনোভাব প্রকাশ করেছেন। একইভাবে কৃষ্ণাঙ্গ সংখ্যাগরিষ্ঠ এলাকাগুলিতেও ডেমোক্র্যাটদের সমর্থন বেড়েছে।

মূল্যবৃদ্ধি, যুদ্ধ, জনবিচ্ছিন্নতা, দুর্বল নির্বাচনী প্রচার এবং বিভিন্ন জনগোষ্ঠীর সমর্থন হারানো—এই পাঁচটি বিষয় একসঙ্গে ট্রাম্পের দলের বিরুদ্ধে কাজ করেছে। ২০২৪ সালে যে জনপ্রিয়তাকে পুঁজি করে হোয়াইট হাউসে ফিরেছিলেন ট্রাম্প, দু'বছরের মধ্যেই সেই জনপ্রিয়তায় বড়সড় ফাটল দেখা গেল। ২০২৮ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের আগে এই ফলাফল তাই ট্রাম্প ও রিপাবলিকান পার্টির কাছে একটি গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক সতর্কবার্তা।

লিখেছেন
inscript
inscript
17 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

ব্রাজিল থেকে আমেরিকা যে কারণে দক্ষিণপন্থীদের শাস্তি দিচ্ছে শান্তিকামী মানুষ

The Alt - right Tide Turns: বিশ্বজুড়ে দক্ষিণপন্থী জনতুষ্টিবাদের ভিত্তি কেঁপে উঠেছে। হাঙ্গেরিতে ১৬ বছরের অরবান-শাসনের অবসান, সার্বিয়ায় ছাত্র আন্দোলনের নির্বাচনী বিজয়, ব্রাজিলে প্রথম রাউন্ডে পিছিয়ে থেকেও লুলার জয়, আমেরিকায় মিডটার্মে ডেমোক্র্যাটদের সংসদের দুই কক্ষ দখল, সব মিলিয়ে বিশ্বজুড়ে অতি-দক্ষিণপন্থী জোয়ারে ভাটার সুর। তবে ফ্রান্স, পোল্যান্ড, ইতালিতে দক্ষিণপন্থা এখনও টিকে আছে। সেগুলির বিরুদ্ধেও চলছে জেনজিদের, শ্রমজীবী অভিবাসী মানুষদের বিক্ষোভ।

ডানাছাঁটা ট্রাম্প-নেতানিয়াহু, বিশ্ব রাজনীতি কোন দিকে যাবে?

Trump midterm defeat: আমেরিকার মধ্যবর্তী নির্বাচনে ডোনাল্ড ট্রাম্পের রিপাবলিকান পার্টির পরাজয় এবং ইজরায়েলের নির্বাচনে বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারানো—দুটি ঘটনাই আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে নতুন সমীকরণের ইঙ্গিত দিচ্ছে। এই পরাজয়ের পর ইরান যুদ্ধের ভবিষ্যৎ কী হবে? আমেরিকা-ইজরায়েল সম্পর্কের সমীকরণ কি বদলাবে? আর বিশ্ব রাজনীতিতে তার প্রভাবই বা কতটা পড়বে?

পিস বন্ড কী, কেন দিতে হয়? নেহা বোরার আপত্তিতে নতুন করে প্রশ্নের মুখে ঔপনিবেশিক আমলের আইন

Peace Bond: শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ করলেই কি দিতে হবে পিস বন্ড? AISA-র জাতীয় সভাপতি নেহা বোরার আপত্তিতে নতুন করে বিতর্কে ঔপনিবেশিক আমলের প্রতিরোধমূলক আইন। ব্রিটিশ আমল থেকে স্বাধীন ভারত, CrPC থেকে BNSS—কীভাবে বদলেছে এই আইনি ব্যবস্থা? কেন কাউকে ১০ হাজার টাকার মুচলেকা দিতে বলা হয়? কী বলছে আইন?

রামলীলা ময়দানের সভায় ভিড় দেখাতে এআই ছবি? কতটা সত্যি?

Ramlila Maidan AI image controversy: দিল্লির রামলীলা ময়দানে ১ নভেম্বরের ‘ইন্ডিয়া’ জোটের সমাবেশে ভিড় ও এআই ছবি ব্যবহার নিয়ে বিজেপি ও কংগ্রেসের মধ্যে বিতর্ক তুঙ্গে। ভাইরাল ছবিগুলোর সত্যতা কী?

আবের কাওয়াস: প্রথম ফিলিস্তিনি-আমেরিকান মুসলিম মহিলা নিউ ইয়র্কের সিনেটে

Aber Kawas: নিউ ইয়র্কের ১২ নম্বর সিনেট ডিস্ট্রিক্ট থেকে জয়ী হয়ে ইতিহাস গড়লেন আবের কাওয়াস। নিউ ইয়র্ক স্টেট আইনসভায় তিনি প্রথম ফিলিস্তিনি-আমেরিকান এবং প্রথম হিজাব পরিহিত মুসলিম মহিলা প্রতিনিধি।

প্রতিবেশীর ধর্ম দেখব না! গির্জায় হামলায় যা বলছে বাসন্তী

Basanti church: গির্জার সদস্য প্রদীপ মণ্ডল ইনস্ক্রিপ্টকে জানিয়েছেন, শনিবার সকাল সাড়ে ১০টা নাগাদ চার্চ অফ নর্থ ইন্ডিয়ার (CNI) বিশপ সুব্রত চক্রবর্তী পার্শ্ববর্তী এলাকার কয়েকটি গির্জার যাজকদের নিয়ে শান্তিপূর্ণ শোভাযাত্রা করে নারায়ণতলার নবনির্মিত গির্জায় পৌঁছন। তাঁদের স্বাগত জানাতে গির্জার ভিতরে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল। প্রার্থনা শুরুর ঠিক আগে ৩০-৩৫ জনের একটি দল জোর করে গির্জায় ঢুকে পড়ে বলে দাবি তাঁর।

পাঁচ খুনের 'বদলা'? এবার গুয়াহাটিতে এনকাউন্টার পুলিশের

Guwahati Encounter: গুয়াহাটিতে হোটেলে ঢুকে পাঁচ জনকে খুনের অভিযোগে ধৃত ঘনকান্ত গগৈ পুলিশের গুলিতে নিহত। পুলিশের দাবি, হেফাজত থেকে পালিয়ে সার্ভিস রিভলভার ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেছিল সে। একই সময়ে মধ্যপ্রদেশের দেওয়াস ও ভোপালে পৃথক এনকাউন্টারে তিন অভিযুক্ত গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। কয়েক দিন আগেই বাংলায় গাইঘাটা ও সামশেরগঞ্জে দুই অভিযুক্তের মৃত্যু হয়েছিল।