পেপার চাই, মান পরে: শিকারি জার্নালের বাজার তৈরি করে কে?
Predatory Journals: ইউজিসি-র ২০১৬ সালের বিধিতে থিসিস জমা দেওয়ার আগে অন্তত একটি রেফার্ড জার্নালে পেপার প্রকাশ বাধ্যতামূলক ছিল। ২০২২ সালে নতুন পিএইচডি বিধি এনে আগের নিয়ম খারিজ করা হয় এবং থিসিস জমা দেওয়ার ক্ষেত্রে দেশ জুড়ে পেপার প্রকাশের সেই বাধ্যবাধকতা প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়। তবু নিয়ম বদলালেই কি বিশ্ববিদ্যালয়ের দীর্ঘদিনের ‘প্রকাশ করো, নইলে মরো’ (publish or perish) সংস্কৃতি রাতারাতি বদলে যায়?
একজন গবেষকের ইনবক্সে হঠাৎ একটি ইমেল এল। একটি তথাকথিত ‘আন্তর্জাতিক’ জার্নাল তাঁর গবেষণাপত্র প্রকাশ করতে চাইছে। তাদের প্রতিশ্রুতি—খুব দ্রুত পিয়ার রিভিউ (peer review) হবে, অল্প সময়ে গবেষণাপত্র প্রকাশিত হবে সঙ্গে নানা ইনডেক্সিং (indexing)-এর দাবি।
মেলের ভাষা দেখে গবেষকের মনে সন্দেহ জাগে। কিন্তু ঠিক এই সময়েই যদি সামনে চাকরির আবেদন থাকে? পদোন্নতি থাকে? কিংবা নির্দিষ্ট সময়ে পিএইচডি শেষ করার চাপ? নিজের সিভিতে (CV) যদি আর একটি প্রকাশনা বা পাবলিকেশনের খুব দরকার হয়?
আমরা সাধারণত এই জায়গা থেকেই আলোচনা শুর...
সম্পূর্ণ লেখাটি পড়তে ইনস্ক্রিপ্ট পরিবারের সদস্য হোন আজই
সাবস্ক্রাইবারদের জন্যে উন্মুক্ত ইনস্ক্রিপ্টের সমস্ত কাজ
অনুসন্ধান, মতামত, বিশ্লেষণ, পডকাস্ট: নাগরিক সাংবাদিকতা
₹১৪৯ টাকায় সবটাই আপনার হাতের নাগালে








