মহিষাসুরমর্দিনী অনুষ্ঠান কীভাবে জনসংস্কৃতির অংশ হলো?
Mahishasuramardini: শ্রী শ্রী মার্কণ্ডেয়চণ্ডীর ভিত্তিতে লেখা ‘মহিষাসুরমর্দিনী’র ঝংকৃত বাণীরূপ শুধুমাত্র তৎসম শব্দমালার অভিনব বিন্যাসই নয়।
“ওঁ যেহবান্ধবা বান্ধবা বা যেহন্য জন্মনিবান্ধবাঃ । তে তৃপ্তিমখিলাং যাস্তু যে চাস্মত্তোয়কাঙ্ক্ষিণঃ। ওঁ আব্রহ্মস্তন্তপর্য্যন্তং জগত্তৃপ্যতু।” অর্থাৎ, বান্ধব-অবান্ধব তথা জন্মান্তরের বান্ধব ও সেইসঙ্গে নির্বান্ধব-বংশধরহীন পিতৃকুলের সমস্ত আত্মা সহ পরম ব্রহ্ম থেকে জগতের ক্ষুদ্রতম কীটাণুকীটের পর্যন্ত জলের আকাঙ্ক্ষা প্রদত্ত এই জলে তৃপ্ত হোক। উচ্চারিত এই শ্লোকের সাধনে পিতৃপক্ষের অবসান ও দেবীপক্ষের সূচনার সন্ধিলগ্ন হিসাবে সূচিত মহালয়ার ভোরে পিতৃকুলের উদ্দেশে তিল ও জল দান করার তর্পণরীতি (‘তৃপ’ + ‘অনট’ প্রত্য...
সম্পূর্ণ লেখাটি পড়তে ইনস্ক্রিপ্ট পরিবারের সদস্য হোন আজই
সাবস্ক্রাইবারদের জন্যে উন্মুক্ত ইনস্ক্রিপ্টের সমস্ত কাজ
অনুসন্ধান, মতামত, বিশ্লেষণ, পডকাস্ট: নাগরিক সাংবাদিকতা
₹১৪৯ টাকায় সবটাই আপনার হাতের নাগালে







