বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় আমাদের ফেলে আসা শৈশবের ঠিকানা জানতেন
Bibhutibhushan Bandyopadhyay literature: ‘আরণ্যক’-এর বন যেন আমাদের প্রশ্ন করে—সভ্যতা বলতে আমরা কী বুঝি? শহরের আলো যত বাড়ে, মানুষের ভিতরের অন্ধকার কি ততটাই কমে? মাটিকে দখল করার খেলায় মেতে আমরা কি নিজেদের ভিতরের আদিম সত্তাটিকে হারিয়ে ফেলছি না?
কিছু মানুষ চলে যান, কিন্তু তাঁদের চলে যাওয়া শেষ হয়ে যায় না। তাঁরা থেকে যান—কোনো পুরনো রেললাইনের ধারে, কাশফুলের দোলায়, শীতের ভোরের কুয়াশায় কিংবা অচেনা কোনো গ্রামের মাটির গন্ধে। বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় তেমনই এক লেখক। তাঁর লেখা পড়লে মনে হয় বাংলা সাহিত্যের কোনো বই নয়, খুলে যাচ্ছে আমাদের ফেলে আসা জীবনের পাতা।
অপুর সঙ্গে প্রথম পরিচয়ের পর বাঙালি পাঠক আর আগের মানুষটি থাকেনি। দুর্গার ছুটে চলা, কাশবন চিরে মিলিয়ে যাওয়া, কিংবা দূর থেকে ভেসে আসা রেলগাড়ির শব্দ শুনে দুই ভাই-বোনের বিস্ময়—এসব স...
সম্পূর্ণ লেখাটি পড়তে ইনস্ক্রিপ্ট পরিবারের সদস্য হোন আজই
সাবস্ক্রাইবারদের জন্যে উন্মুক্ত ইনস্ক্রিপ্টের সমস্ত কাজ
অনুসন্ধান, মতামত, বিশ্লেষণ, পডকাস্ট: নাগরিক সাংবাদিকতা
₹১৪৯ টাকায় সবটাই আপনার হাতের নাগালে







